Tech SSD.COM https://www.techssd.com/2022/01/%20.html

ভবিষ্যতের বাংলাদেশ । টেক এস এস ডি

* ইসরাইলের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা যখন পর্যায় সারণির কোনো মৌল আবিষ্কার করে তখন আমাদের বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা লাইব্রেরীতে গিয়ে প্রেম করে। 

  1. ভবিষ্যতের বাংলাদেশ । টেক এস এস ডি
    ভবিষ্যতের বাংলাদেশ । টেক এস এস ডি 



*বিশ্বরে এক নম্বর বিশ্ববিদ্যালয় হাভার্ড এ সারা বছর কোনো কনসার্টের খবর পাওয়া যায় না অন্যদিকে আমাদের বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে কত কত কনসার্ট (এল . আর . বি, জেমস , শিরোনামহীন, অ্যাশেজ, তাহসান, ওয়ারফেজ) একটার পর একটা কত প্রোগ্রাম।

*বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের  ছাত্র-ছাত্রীদের এখন নাচ, গান , হোলি উৎসব হয় এখন। ফাক ইউ, হট বেবি, ক্রাশ খাইছি, মাস্তি, ইয়া*বা,বিয়া*র,গা*জা, এই শব্দগুলো এখন কার ছেলে মেয়েদের কাছে অতি পরিচিত। 

*অন্যান্য দেশের জ্ঞানী মানুষ, বিজ্ঞানীরা কথা বলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন । বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বেশ কয়েকবার অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিবেডে অংশগ্রহণ করেন। আর অন্যদিকে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মকসুদুল আলম কয়টা সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যেতেন? এবং আমাদের বর্তমান বিজ্ঞানী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম কয়ট সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যান? (যিনি ব্যাষ্টেরিয়া শনাক্তকারী সেন্সর তৈরী করেছেন। “যুক্তরাষ্টের প্রসিডিংস অব দ্যা ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স জার্নলে তার এ গবেষনার কথা ছাপা হয়েছিল।)
বা “জিন ক্রুটি নির্ণয়ে অভাবিত সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশের যে তিন গবেষক তারা হলেন - ডা. কে এম ফোরকান উদ্দিন ও ডা. মোঃ রোবেদ আমিন ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান বিজ্ঞানী ডা. মোহাম্মদ উদ্দিন ড্যাফিল । তা্রা  ও কি কোনো দিন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যাবেন? আর  তাদের কি কোনো দিন ডাকা হবে?আমার তো মনে হয় না। কারণ আমাদের এখানে নাইলা-নাঈম আর মিয়া খলিফার দাম অনেক বেশি। অথবা দালালী আর দাসত্বের বীজ বহনকারী মেরুন্দহীন বুদ্ধিজীবীরা -যারা বাংলাদেশের মানুষকে রোহিঙ্গার মতো করতে চায়। 
*স্টিভ জবসের (অ্যাপেল কোম্পানির সাবেক সি ই ও) ভাষণ ইউটিউবে পাওয়া যায় । 
*বিল গেটস (মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা) একজন ভালো বক্তা। 
*আবার মার্ক জুকারবার্গ  (ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান সি ই ও) একজন মটিভিশনাল স্পীকার। 
*আজকে চীন বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হতে যাচ্ছে। ইন্ডিয়া আইটি সেষ্টরে রাজত্ব করছে। ভারতের ছেলে মেয়েরা গুগলের মোতো বড় বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করে। শুধু কাজ করে বললে ভুল হবে তারা ওখানের প্রধান হিসেবে কাজ করে। আর আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মাস্তি করে আর ছাত্রীরা ঘরে বসে বষে হিন্দি সিরিয়াল দেখে। ভারত যখন বসে বসে সি ই ও তৈরী করে আমাদের দেশর ছাত্র-ছাত্রীরা ঘরে বসে বসে ক্যাম্পাসে ক্যাডার তৈরী করে।  আমেরিকা যখন নতুন নতুন ফাইটার জেটের নকশা করে , তুরষ্কের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্ররা যখন প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা মেলার আয়োজন করে তখন বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্র রা মিথিলা- তাহগসানের ডিভোর্স নিয়ে আন্দেলন করে । 
*মায়ানমার বিশ্ববিদ্যােলয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা যখন প্রতিবেশি দেশের সীমান্ত থেকে খনিজ চুরি করা যন্ত আবিষ্কার করছে তখন আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা বোটিানিক্যাল গার্ডেনে বসে চুটিয়ে প্রেম করছে। 
*আমাদের দেশে প্রেমের নাটক করে হিট হওয়া ছেলেটা হলো বড় সেলিব্রেটি আর মযদা মাখা মেয়েটা হলো হট কুইন। আমাদের এখানে লাইব্রেরীতে গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ডের অন্তরঙ্গ ভিডিও নেটে পাওয়া যায় আর চুতিয়া পাবলিক গুলো সেই ভিডিও হু হু করে ভাইরাল করে । কিন্তু যখন কোনো ভালো ভিডিও তাদের সামনে আসে তারা সেটা না দেখার ভান করে এড়িয়ে যায়। 

সদ্য বিদেশ থেকে ফিরে এক শিক্ষক বলেছিলেন  ওদের দেশের কলেজ লেভেল ছেলে মেয়েদের যে টুকু দক্ষতা তা আমাদের দেশের েঢাবি থেকে মাষ্টার্স পাস করা ছেলে মেয়েরা ওতটা ক্রিয়েটিভ বা দক্ষ হয় না। 
আমাদের দেশে মাসে কোটি কোটি টাকা ব্যায় করে 100 টির বেশি টিভি চ্যানেল  (আমাদের দেশের কোনো চ্যানেল তাদের দেশে দেখানো হয় না) সংযোগ দিয়ে ছাত্র -ছাত্রীদের শিক্ষা দিচ্ছি ---
”অফিস টাইমে কি করে মেয়ে পটাতেস হয়”
”কিভাবে বেষ্ট ফ্রেন্ডকে প্রোপোজ করতে হয়”
”কি করে গলায় দড়ি দিতে হয়”
”কি করে কাজের মেয়েকে জজ বানানো হয়”
”কিভাবে বন্ধুর গার্লফ্রেন্ডের সাথে ফ্লার্ট করতে হয়”
”কেন বাংলাদেশ থেকে কোনো গবেষক তৈরী হয় না”

প্রেম করার জন্য বার আাছে , সী বিচ আছে, লং ড্রাইভ আছ.... বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী তো কোনো প্রেমের জায়গা না। 
একটা কথা না বললেই নয়, তাই বলে যে সবাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে এমন কিন্তু কোনো কথা না । বিশ্ববিদ্যালিয় হলো সক্ষমতা অর্জনের জায়গা। 

মায়ানমার 10 লাখ রোহিঙ্গাকে আমাদের উপরে চাপিয়ে দিয়েছে , ভারত-আসাম থেকে 80 ( আশি ) লাখ বাঙালী মুসিলিম কে আমাদের দেশে ঢুকিয়ে দেওয়ার আয়োজন করছে। 

মূলকথাঃ ভারত পারমানবিক বোমা বানালে আমারা হাইড্রোজেন বোমা বানাবো কি না? ,কিভাবে প্রতিবেশি রাষ্টের সাম্প্রদাযিকতা ও অধিপত্যবাদ থেকে মুক্তি পাবো? , চীনের সাথে আমাদের প্রতিরক্ষানীতী কেমন হবে? আামদের দেশের ছাত্র - ছাত্রীদের এসব বিষয়ে ধারণা না থাকলে ও - প্রশ্ন আউট করে পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়া , ইন্টারনেটে সারা রাত গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে ডুব িথাকা এসব কিছুই ভালো ভাবে জানে। 

নোটঃ কথা গুলো অনেকের কাছে খারাপ লাগতে পারে কিন্তু বাস্তবতা এটাই। 


অন্যদের সাথে শেয়ার করুন

0 Comments

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন ??

টেক এস.এস.ডি কী?